Bd Jobs Today

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রত্যয়ন পত্র (নাতি-নাতনী/ পোতা-পুত্নী)

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান বা নাতি -নাতনী কোটায় ভর্তি জন্য স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপ্ত্র লাগবে তা নিয়ে আজকের এই পোস্ট। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান বা নাতি -নাতনী বা পোতা-পুত্নী কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় মুক্তিযোদ্ধার কোটায় আবেদন করে থাকে। যারা মুক্তিযোদ্ধার কোটায় ভর্তির চান্স পায় তাদের বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র এবং সম্পর্ক প্রমাণের জন্য প্রত্যায়ন পত্র প্রয়োজন হয়। আজকে আমরা প্রত্যায়ন পত্রের নমুনা কপি এখানে সংযুক্ত করবো এবং কিভাবে আপনি প্রত্যায়ন পত্র পাবেন তা আলোচনা করবো।

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির সময় যে সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে:

১। বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্রের ফটোকপি।
২। সম্পর্ক প্রমাণের জন্য প্রত্যায়ন পত্রের ফটোকপি।
৩। নাতী বা নাতনী হলে মাতার আইডি কার্ড এবং পোতা/পুত্নী হলে পিতার আইডি কার্ড।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি -নাতনী বা পোতা/পুত্নী কোটায় ভর্তির জন্য যে সকল প্রয়োজনীয় প্রমাণ লাগবে:

১। বীর মুক্তিযোদ্ধার মূল সনদ।
২। সম্পর্ক প্রমাণের জন্য ইউনিয়ন/উপজেলা কর্তৃক প্রত্যায়ন পত্র।
৩। বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে সন্তানদের পোতা/পুত্নীর জন্য পিতার আইডি কার্ড অথবা বীর মুক্তিযোদ্ধার মেয়েসন্তানদের নাতী/নাতীর জন্য মাতার আইডি কার্ড।

মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মেয়ে নাতী নাতনী পোতা/পুত্নী হিসেবে প্রত্যয়ন পত্র

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির সময় অবশ্যই বীর মুক্তিযোদ্ধার মূল সনদ এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা নাতি–নাতনী/ পোতা-পুত্নী সম্পর্ক প্রমাণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়ন পত্র প্রদর্শন করতে হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতির প্রত্যয়ন পত্র

বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতনীর প্রত্যয়ন পত্র

বীর মুক্তিযোদ্ধার পোতার প্রত্যয়ন পত্র

বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্নির প্রত্যয়ন পত্র

প্রত্যয়ন পত্র পেতে যোগাযোগ করতে হবে ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে। আপনি চাইলে নিম্নে বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতনী/পুত্নির প্রত্যয়ন পত্রের ফরমেটটি ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে আপনার তথ্য অনুযায়ী ফরমেটটি পরিবর্তন করার পর প্রিন্ট কপি বের করে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাক্ষর ও সীল নিতে হবে। তবে এমন প্রত্যয়ন পত্র সকল উপজেলা পরিষদ বা ইউনিয়ন পরিষদের সংগ্রহে থাকে আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

freedom fighter children certificate

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তি এর প্রত্যয়ন

বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্ক প্রমাণের প্রত্যায়ন পত্র

বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র

বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র নমুনা কপি


Source link
Summarize this content to 250 words বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান বা নাতি -নাতনী কোটায় ভর্তি জন্য স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপ্ত্র লাগবে তা নিয়ে আজকের এই পোস্ট। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান বা নাতি -নাতনী বা পোতা-পুত্নী কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় মুক্তিযোদ্ধার কোটায় আবেদন করে থাকে। যারা মুক্তিযোদ্ধার কোটায় ভর্তির চান্স পায় তাদের বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র এবং সম্পর্ক প্রমাণের জন্য প্রত্যায়ন পত্র প্রয়োজন হয়। আজকে আমরা প্রত্যায়ন পত্রের নমুনা কপি এখানে সংযুক্ত করবো এবং কিভাবে আপনি প্রত্যায়ন পত্র পাবেন তা আলোচনা করবো।মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির সময় যে সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে:১। বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্রের ফটোকপি।২। সম্পর্ক প্রমাণের জন্য প্রত্যায়ন পত্রের ফটোকপি।৩। নাতী বা নাতনী হলে মাতার আইডি কার্ড এবং পোতা/পুত্নী হলে পিতার আইডি কার্ড।বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি -নাতনী বা পোতা/পুত্নী কোটায় ভর্তির জন্য যে সকল প্রয়োজনীয় প্রমাণ লাগবে:১। বীর মুক্তিযোদ্ধার মূল সনদ।২। সম্পর্ক প্রমাণের জন্য ইউনিয়ন/উপজেলা কর্তৃক প্রত্যায়ন পত্র।৩। বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে সন্তানদের পোতা/পুত্নীর জন্য পিতার আইডি কার্ড অথবা বীর মুক্তিযোদ্ধার মেয়েসন্তানদের নাতী/নাতীর জন্য মাতার আইডি কার্ড।মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মেয়ে নাতী নাতনী পোতা/পুত্নী হিসেবে প্রত্যয়ন পত্রমুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির সময় অবশ্যই বীর মুক্তিযোদ্ধার মূল সনদ এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা নাতি–নাতনী/ পোতা-পুত্নী সম্পর্ক প্রমাণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়ন পত্র প্রদর্শন করতে হবে।বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতির প্রত্যয়ন পত্রবীর মুক্তিযোদ্ধার নাতনীর প্রত্যয়ন পত্রবীর মুক্তিযোদ্ধার পোতার প্রত্যয়ন পত্রবীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্নির প্রত্যয়ন পত্রপ্রত্যয়ন পত্র পেতে যোগাযোগ করতে হবে ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে। আপনি চাইলে নিম্নে বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতনী/পুত্নির প্রত্যয়ন পত্রের ফরমেটটি ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে আপনার তথ্য অনুযায়ী ফরমেটটি পরিবর্তন করার পর প্রিন্ট কপি বের করে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাক্ষর ও সীল নিতে হবে। তবে এমন প্রত্যয়ন পত্র সকল উপজেলা পরিষদ বা ইউনিয়ন পরিষদের সংগ্রহে থাকে আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

freedom fighter children certificateমুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তি এর প্রত্যয়নবীর মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্ক প্রমাণের প্রত্যায়ন পত্রবীর মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্রবীর মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র নমুনা কপি

Tags: No tags

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *